ফটোশপ বেসিক বিষয় শিখে নিন.... - Graphic School

Blog

ফটোশপ বেসিক বিষয় শিখে নিন….

ফটোশপ! আমাদের মাঝে খুব পরিচিত একটি শব্দ। আমাদের জানা আছে ফটোশপ দিয়ে অনেক ছবি এডিট করা যায়। হ্যাঁ ফটোশপ ছাড়া আধুনিক ছবি এডিটের চিন্তাও করা যায় না। বিভিন্ন মুভি, পোস্টার, ফ্যাশন ইত্যাদি জায়গায় ফটোশপ ছাড়া কোন কিছুই চিন্তা করা যায়না। আর তাই সাধারণ মানুষের মাঝে ফটোশপের ব্যবহার ধীরে ধীরে বেড়েই চলছে।

তবে নতুনদের জন্য প্রথম প্রথম ফটোশপ ব্যবহারে বেশ কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে। ফটোশপে কাজ করার জন্য রয়েছে অসংখ্য ToolOption। এদের একেকটি দিয়ে একেক ধরনের কাজ করা যায়। কিন্তু নতুনদের জন্য এসব Option ব্যবহার করা বা এগুলোর কাজ বুঝতে পারা বেশ কঠিন ব্যাপার। কোথায় থেকে শুরু করতে হবে, কোন অপশনের বা বাটনের কাজ কী, একটি নির্দিষ্ট কাজের জন্য কোন কোন Tool ব্যবহার করা উচিত ইত্যাদিসহ আরও অনেক ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। তাই আমি আমার এই আর্টিকেলে ফটোশপের কিছু বেসিক Tool বা ফিচার নিয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছি। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।

Toolbox: ফটোশপের যত ধরনের বেসিক Tool আছে, সব এ Tool বক্সে পাওয়া যাবে। একেকটি টুলে আবার অনেকগুলো করে Tool রাখা থাকে। সেগুলোকে সাব Tool বলাহয়ে থাকে। User এই Tool গুলোর যেকোনো টুলে রাইট বাটনে ক্লিক করে পছন্দমতো Tool সিলেক্ট করতে পারেন। ভালোভাবে লক্ষ করলে দেখা যাবে, প্রতিটি টুলের নিচের দিকে কোনায় একটি ছোট অ্যারো সাইন আছে। দুই-একটা টুলে নাও থাকতে পারে। এর অর্থ যেখানে অ্যারো সাইন আছে, বুঝতে হবে সেখানে একই সাথে আরও অনেক Tool আছে। উদাহরণ হিসেবে সিলেকশন টুলের কথা বলা যায়। সিলেকশনের জন্য তিন ধরনের Tool দেখা যায়। তিনটি টুলের কাজ তিন রকম। তবে তাদের সবার মূল কাজ হলো সিলেকশন করা।

এখন User যদি সিলেকশন টুলের ঘরে লেফট বাটনে ক্লিক করেন, তাহলে যে Tool টি দেখা যাচ্ছে সেটিই সিলেক্ট হবে। কিন্তু User যদি চান অন্য সিলেকশনের Tool গুলো ব্যবহার করতে, তাহলে রাইট বাটনে ক্লিক করলে সিলেকশন টুলের আরেকটি মেনু দেখা যাবে। সেখান থেকে User অন্য সিলেকশনের Tool সিলেক্ট করে ব্যবহার করতে পারবেন। নতুন Tool সিলেক্ট করা হলে তা আগের টুলের জায়গায় বসে যাবে। আর প্রতিটি টুলের জন্যই আলাদা শর্টকাট কি রাখা আছে। টুলের মেনু ওপেন করলে প্রতিটি টুলের ডান দিকে তার শর্টকাট কি দেখানো হয়। আর টুলের মেনু ওপেন করা না হলে যেকোনো টুলের ওপর মাউস পয়েন্টার ধরলেই পপআপ ম্যাসেজে তার শর্টকাট কি দেখানো হয়।

User-এর মনে হতে পারে, শুধু সিলেকশনের জন্যই তিনটি টুলের কি দরকার। ফটোশপ খুব অ্যাডভান্সড একটি এডিটিং সফটওয়্যার। তাই User-এর বিভিন্ন চাহিদা যাতে পূরণ হয়, সেজন্য একই ধরনের টুলের বেশ কয়েকটি ভার্সন তৈরি করা হয়েছে। এখানে সংক্ষেপে সিলেকশন Tool গুলোর কাজ উদাহরণ হিসেবে দেয়া হলো।

সিলেকশন ছবি এডিটিংয়ে খুবই প্রয়োজনীয় একটি Tool। ছবির যেকোনো এলিমেন্টকে আলাদা করতে চাইলে বা আলাদাভাবে এডিট করতে চাইলে সিলেকশন টুলের দরকার হয়। সিলেকশন অনেকভাবে করা যায়। ফটোশপে Tool হিসেবে তিনটি সিলেকশন Tool আছে। যেমন- ল্যাসো Tool, পলিগোনাল ল্যাসো Tool ও ম্যাগনেটিক ল্যাসো Tool। যদিও এ তিনটি টুলের মূল কাজ একই, কিন্তু এগুলো ভিন্নভাবে কাজ করে। সাধারণ ল্যাসো Tool হলো ফ্রি হ্যান্ড Tool. অনেকটা পেন্সিল দিয়ে ড্র করার মতো। পলিগোনাল ল্যাসো Tool সবসময় সরল রৈখিকভাবে কাজ করে। যেকোনো ধরনের বক্স বা প্লেন সারফেস বা এমন কিছু যার সারফেস রৈখিক এ ধরনের অবজেক্ট সিলেক্ট করতে পলিগোনাল ল্যাসো Tool বিশেষভাবে উপযোগী। আর ম্যাগনেটিক ল্যাসো Tool একটু ভিন্নভাবে কাজ করে। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে খুঁজে বের করে ক্যানভাসের কোথায় কালারের পার্থক্য আছে। যেখানে কালারের পার্থক্য আছে, সেখান দিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিলেক্ট হয়ে যায়। এই Tool টি ব্যবহারের সময় খেয়াল রাখতে হবে মাউস পয়েন্টার ধীরে ধীরে নাড়াতে হবে। তা না হলে ক্যালকুলেশনের জন্য প্রয়োজনীয় সময় এবং সারফেস পাবে না, তাই ভুল সিলেকশন হবে। ম্যাগনেটিক ল্যাসো Tool দিয়ে সিলেক্ট করার সময় সাধারণত ক্লিক করার দরকার পড়ে না। মাউস পয়েন্টার যেখান দিয়ে নেয়া হয়, সেখান দিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিলেকশন হয়ে যায় এবং কতগুলো পয়েন্ট তৈরি হয়। তবে User চাইলে ইচ্ছেমতো জায়গায় ক্লিক করে পয়েন্ট তৈরি করে নিতে পারেন। ওই পয়েন্টগুলোই হলো সিলেকশনের পরিধি।

সিলেকশনের জন্য আরও একটি চমৎকার Option আছে। সিলেক্টকালার রেঞ্জ Optionটি দিয়ে যেকোনো একই কালারের সব অবজেক্ট সিলেক্ট করা যায়। যদি অবজেক্টের কিনারা নিয়মিত না হয়, তাহলে ল্যাসো Tool গুলো দিয়ে সিলেক্ট করা বেশ কষ্টসাধ্য হয় এবং অনেক সময়সাপেক্ষ হয়ে ওঠে। সে ক্ষেত্রে কালার রেঞ্জ দিয়ে অল্প সময়ে সিলেকশনের কাজটি করা সম্ভব। কালার রেঞ্জ দিয়ে সিলেক্ট করার সময় দুটি Option থাকে। একটি Localized Color Cluster ও অপরটি Fuzziness. Fuzziness বাড়িয়ে বা কমিয়ে খুব সহজেই কালারের রেঞ্জ বাড়ানো বা কমানো যায়। আসলে এটি অনেকটা ব্রাইটনেসের মতো কাজ করে। আর Localized Color Cluster দিয়ে একটু ভিন্ন রেঞ্জের কালার অথবা একই কালার রেঞ্জের শুধু এক পাশের অংশকে সিলেক্ট করা যায়।

Layer Pallet: ফটোশপের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ফিচার হলো একাধিক লেয়ারের ব্যবস্থা। ফটোশপ একজন Userকে মাল্টিপল ছবি বা লেয়ার একই ক্যানভাসে নিয়ে কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছে। User চাইলে একটি ছবির বিভিন্ন অংশ ভিন্ন ভিন্নভাবে এডিট করতে পারেন, যাতে একটি অংশের জন্য অপরটির ক্ষতি না হয়। মূলত এ কারণেই লেয়ার ফিচারটি দেয়া হয়েছে। আসলে ফটোশপের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ফিচার হিসেবে লেয়ার প্যালেটকে বলা যেতে পারে। প্রথমে একটি ছবি ওপেন করা হলে তা বাই ডিফল্ট একটি লেয়ারে থাকে। নিচের ডান দিকে Layer Pallet থাকে।

মূল লেয়ারকে ব্যাকগ্রাউন্ড লেয়ার বলে। শুরুতে এটি সাধারণত লক করা থাকে। লক করা থাকলে অনেক লেয়ার Option কাজ করবে না। তবে এটি সাধারণ একটি ঘটনা। লেয়ার লক করা থাকলে এর ডান পাশে একটি সাইন থাকে। তবে User চাইলে লক খুলে নিতে পারেন। এটি একেবারেই সহজ, শুধু ব্যাকগ্রাউন্ড লেয়ারের ওপর ডাবল ক্লিক করলে একটি পপআপ মেসেজ আসবে, ওকে ক্লিক করলেই একটি নতুন লেয়ার তৈরি হয়ে যাবে, যা আনলক অবস্থায় থাকবে। তাই সব লেয়ার Option কাজ করবে।

Option Bar: Option Bar টি ওয়ার্কস্পেসের অন্যদের থেকে একটু ভিন্ন ধরনের। যতবার কোনো নতুন Tool সিলেক্ট করা হয়, Option Bar এর সাথে সাথে পরিবর্তন হয়ে যায়। বাম দিক থেকে বিভিন্ন Tool সিলেক্ট করলে একেকটি টুলের জন্য ওপরের Option Bar একেক ধরনের দেখায়। Option বারে বিভিন্ন টুলের অতিরিক্ত ও অ্যাডভান্সড Option গুলোই দেখানো হয়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, যখন ব্রাশ Tool সিলেক্ট করা হয়, তখন Option Bar-এ যেসব অতিরিক্ত Option দেয়া হয়, এদের সাহায্যে ব্রাশের আকার, আকৃতি, অপাসিটি ইত্যাদি পরিবর্তন করা যায়। আবার যখন Text Tool সিলেক্ট করা হবে, তখন Option বারের Option গুলোর সাহায্যে টেক্সটের ফন্ট, ফন্ট সাইজ, কালার ইত্যাদি পরিবর্তন করা যাবে।

Workspace Window: Workspace হলো ফটোশপ ওপেন করার পর প্রথম যে Window আসে সেটি। এখানে ফটোশপে ব্যবহার করা যায় এমন সব ToolOption থাকে। একজন সত্যিকারের আর্টিস্টের মতো এখানেও ক্যানভাস, ব্রাশ, ইরেজার, পেইন্ট ইত্যাদি সব ধরনের Tool পাওয়া যায়। যদিও ফটোশপের একেক ভার্সনে একেক ধরনের Workspace থাকতে পারে, তবুও সব ভার্সনেই মোটামুটি সব ধরনের Tool পাওয়া যায়। পরবর্তী ভার্সনগুলোতে কিছু বাড়তি Tool ও থাকে। অ্যাডবির সাইটে সফটওয়্যারটির ফ্রি ভার্সন পাওয়া যাবে। ফটোশপে কোনো ছবি ওপেন করলে তা ওয়ার্কস্পেসে দেখাবে। সুতরাং দেখাই যাচ্ছে এখানে চারদিকে অসংখ্য Tool রয়েছে।

Menu bar: সাধারণ যেকোনো প্রোগ্রামের মতো ফটোশপেও মেনু বার আছে। তবে এখানে অনেক বেশি Option দেখা যায়। Option-এর পাশাপাশি এখানে বিভিন্ন Tool ও রাখা হয়েছে। আর যেকোনো টুলের অ্যাডভান্সড Option ব্যবহার করলে তা মেনু বার থেকে করাটাই তুলনামূলক সহজ। এখানে সাধারণ Option-এর পাশাপাশি কিছু অতিরিক্ত Option আছে, যেগুলো User-এর অজানাও থাকতে পারে। যেমন- Imgae, Layers, Filter ইত্যাদি। এখান থেকে Option সিলেক্ট করা হলে নিচে ড্রপডাউন মেনু আসবে। সেখানে আরও অ্যাডভান্সড Option-এর সুবিধা রয়েছে, যা অনেকের কাছেই অপরিচিত।

Active Image Area: এটি হলো User-এর ক্যানভাস। এখানেই ছবি ওপেন করা, এডিট করা, নতুন ছবি আঁকা ইত্যাদি করা যায়। কোনো ছবি ওপেন করলে অথবা নতুন ফাইল তৈরি করলে তা ক্যানভাসের মাধ্যমে ওপেন হয়। ক্যানভাসের একদম নিচে অবস্থান করে স্ট্যাটাস বার। বর্তমানে ওপেন করা ছবি বা ক্যানভাস সম্পর্কে স্ট্যাটাস বারে বিভিন্ন তথ্য দেয়া থাকে। ডিফল্ট সেটিংয়ে স্ট্যাটাস বারে জুম ও ডকুমেন্ট সাইজ দেয়া থাকে। স্ট্যাটাস বারের একদম বাম পাশে একটি পার্সেন্টেড সংখ্যা দেখানো হয়। এটি দিয়ে বোঝানো হয় ছবি কতটুকু জুম করে দেখানো হচ্ছে। এটি যত বেশি হবে, ছবি তত জুম করে দেখাবে। সাধারণত ৩৩.৩৩ শতাংশে এ ছবি দেখানো হয়। কিন্তু অনেক সময় এডিট করার জন্য ছবি জুম করার প্রয়োজন হয়। তখন এ সংখ্যাটি বাড়িয়ে দিলেই ছবি এর সাথে সাথে জুম হয়ে যাবে। সরাসরি এখানে ক্লিক করে নতুন মান দিয়ে ছবি জুম করা যায়, অথবা User চাইলে শর্টকাট ব্যবহার করেও জুম করতে পারেন। অখঞ বাটন চেপে মাউসের স্ক্রল ঘোরালে Zoom In/Zoom Out হবে। Shift+Ctrl বাটন চেপে মাউস স্ক্রল ছবি ডানে/বামে স্ক্রল করবে। আর শুধু মাউসের স্ক্রল ছবি উপরে/নিচে স্ক্রল করবে। ছবি যদি অনেক বেশি জুম করা হয়, তাহলে তা স্ক্রল করার জন্য এ ধরনের শর্টকাট কি’র সাহায্য নেয়া যেতে পারে। কারণ, শুধু মাউসের সাহায্যে এডিট করার চেয়ে কিবোর্ড ও মাউস একসাথে ব্যবহার করলে এডিটিং আরও দ্রুততর হবে।

History Pallet: ফটোশপের কয়েকটি বিশেষ ফিচারের মাঝে একটি হলো এর History Pallet. এটা User দের জন্য খুব প্রয়োজনীয় একটি উপকরণ। এর নাম শুধু History Pallet হলেও যে জিনিসটি এটিকে এত প্রয়োজনীয় করে তুলেছে, তা হলো History Pallet­-এর মাধ্যমে শুধু এডিটের History দেখা যায় না, তা ইচ্ছে মতো Undo/Redo করা যায়। তাই ভুলক্রমে যদি কোথাও Brush Stroke পড়ে অথবা কোথাও যদি দুর্ঘটনাক্রমে অতিরিক্ত ইরেজ হয়ে যায় অথবা অন্য যেকোনো ধরনের ভুল সহজেই History Pallet-এর মাধ্যমে Undo করা যায়। এটি সাধারণত ওপরের ডান দিকে থাকে। তবে User ইচ্ছে করলে পজিশন পরিবর্তন করতে পারেন।

User যতগুলো এডিট করেন, তার একটি নির্দিষ্টসংখ্যক ফটোশপ সেভ করে রাখেন। তাই User যদি কোনো এডিট ভুল করে ফেলেন, তাহলে তা সহজেই History Pallet­-এর মাধ্যমে Undo করা সম্ভব। তবে ফটোশপের এই প্রতিটি এডিটিংয়ের স্টেপ সেভ করে রাখা, এটি কিন্তু আনলিমিটেড নয়। অর্থাৎ ফটোশপ একটি নির্দিষ্টসংখ্যক স্টেপ রেকর্ড করে রাখে, তাই User প্রতিবারই একটি নির্দিষ্টসংখ্যক স্টেপ Undo/Redo করতে পারবেন। অবশ্য এটি User ইচ্ছে করলে বাড়াতে বা কমাতে পারেন। এজন্য প্রেফারেন্সে গিয়ে Option পরিবর্তন করে দিলেই হবে। ফটোশপ যত বেশিসংখ্যক স্টেপ সেভ করে রাখবে, Performance ধীরে ধীরে ততই খারাপ হবে, অর্থাৎ কম্পিউটার স্লো হয়ে যেতে পারে। আর কমসংখ্যক স্টেপ সেভ করলে ফটোশপের Performance অনেক ভালো হবে এবং তা অনেক দ্রুত কাজ করতে সক্ষম হবে। তবে এটি সম্পূর্ণ User-এর এডিট করার পদ্ধতির ওপর নির্ভর করে। কারণ, অনেকে আছেন যারা ছোট ছোট স্টেপ নিয়ে এডিট করেন। কারণ, তাতে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। আর ভুল হলেও সহজে Undo করা যায়। সুতরাং এ ক্ষেত্রে যত বেশি স্টেপ সেভ হয়ে থাকবে, User-এর জন্য এডিট করা ততই সহজ হবে। আবার এমন অনেক User আছেন যারা এতটাই দক্ষ যে, অনেক কম স্টেপ নিয়েই এডিট করতে পারেন। স্টেপ কমসংখ্যক হলেও একটি দীর্ঘ সময়ের হয়। সুতরাং তাদের জন্য বেশি History সেভ করার দরকার হয় না। সে ক্ষেত্রে History-এর স্টেপ কমিয়ে Performance বাড়িয়ে দিলেই বরং তাদের জন্য সুবিধা হবে।

আপনি যদি ফটোশপে সুন্দর সুন্দর এডিট করা শিখতে চান, তাহলে আগে এর বেসিক ভালোভাবে জানতে হবে। বেসিক জানা না থাকলে কোনো এডিটই ঠিকভাবে করা যাবে না।

আশা করছি আপনি ফটোশপ সম্পর্কে খুব ভালোভাবে জানতে পেরেছেন। সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে আজকের মতো এখানেই শেষ করছি, আসসালামু আলাইকুম।

 

লিখেছেন,

মোঃ রিয়াদ আহম্মেদ

Facebook Comment