3D মডেল পেইন্টিং কাজে ফটোশপঃ - Graphic School

Blog

3D মডেল পেইন্টিং কাজে ফটোশপঃ

যারা 3D মডেল তৈরি করেন তারা জানেন মডেল তৈরির পর তাকে পছন্দের রং আনার কাজ কতটা সময়সাপেক্ষ। একজন মানুষের মডেল তৈরি করে তাকে নিখুতভাবে রং দেয়ার জন্য সঠিক মাপের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে নিতে হয়, তাকে যায়গামত বসাতে হয়। তারপরও কিছু সমস্যা থেকেই যায়।

ফটোশপ ব্যবহার করে 3D মডেলের ওপর সরাসরি পেইন্ট করা যায়। তা 3D ষ্টুডিও ম্যাক্স হোক অথবা অন্য সফটওয়্যারই হোক।

এখানে উদাহরণ হিসেবে 3D ষ্টুডিও ম্যাক্স ব্যবহার করা হচ্ছে।

  • 3D ষ্টুডিও ম্যাক্সে একটি মডেল তৈরি করুন। এখানে টি-পট ব্যবহার করা হচ্ছে, আপনি যে কোন মডেল ব্যবহার করতে পারেন।
  • Export কমান্ড দিয়ে3DS Format-এ এক্সপোর্ট করুন। এক সফটওয়্যার থেকে 3D মডেলকে অন্য সফটওয়্যারে নেয়ার জন্য এই Format ব্যবহার করা হয়। ফটোশপে 3D ম্যাক্সের Format-ও ব্যবহার করা যায়। মায়া সহ অন্য 3D সফটওয়্যারের জন্য OBJ Format ব্যবহার করুন।

যেকোনো মডেলকে ফটোশপে Import করা

  • ফটোশপে নতুন একটি ডকুমেন্ট তৈরি করুন। ব্যাকগ্রাউন্ড ট্রান্সপারেন্ট রেখে যে কোন মাপের নতুন ডকুমেন্ট তৈরি করতে পারেন।
  • মেনু থেকে3D – New Layer from 3D File কমান্ড দিন
  • ব্রাউজ করে সেভ করা 3D ফাইলটি সিলেক্ট করুন। 3D মডেলটি ফটোশপে পাওয়া যাবে।
    ফটোশপের Toolbox থেকেObject Rotate টুল ব্যবহার করে 3D মডেলকে ঘুরানো এবং বড়-ছোট করা বা সরানো যাবে।

ফটোশপে পেইন্ট করাঃ

  • ফটোশপে Import করা মডেলের জন্য লেয়ার লক্ষ্য করলে লেয়ারের নিচের কোন একটি বিশেষ চিহ্ন দেখা যাবে। এর অর্থ এটা 3D লেয়ার। এই আইকনে ডাবল ক্লিক করলে 3D মেটারিয়াল নামে নতুন একটি ডায়ালগ বক্স পাবেন।
  • ডায়ালগ বক্সের ৪টি আইকনের তৃতীয়টি ক্লিক করুন। এখানে Default নামে Texture পাবেন। তাকে সরাসরি ব্যবহার করতে পারেন অথবা কাজের বোঝার সুবিধের জন্য নতুন নামে একটি Texture তৈরি করতে পারেন।Default লেখায় ক্লিক করে New Texture সিলেক্ট করুন এবং একটি নাম টাইপ করে দিন। নামটি লেয়ারে দেখা যাবে। এভাবে কাজ করার সুবিধে হচ্ছে আপনি ইচ্ছে করলে Texture লেয়ারে 2D হিসেবে পেইন্ট করার সুবিধে পাবেন (যেমন নির্দিষ্ট রং দিয়ে ফিল করা)।
  • যে রং পেইন্ট করতে চান সেই রং সিলেক্ট করুন।
  • পেইন্টBrush সিলেক্ট করুন।
  • 3D লেয়ারে অথবা Texture লেয়ারে যেখানে সুবিধে মনে করেন সেখানে পেইন্ট করুন।

সেভ করা এবং ম্যাক্সে ব্যবহার করাঃ

  • পেইন্ট এর কাজ শেষে মেনু থেকে3D – Export 3D Layerকমান্ড দিন।
  • নতুন নামেWavefront OBJ Format-এ ফাইলটি সেভ করুন। Texture Format হিসেবে JPG ব্যবহার করতে পারেন। এরফলে 3D ফাইলের সাথে JPG ইমেজ ফাইল হিসেবে পৃথক ফাইলে Texture সেভ হবে।

ম্যাক্সে Import করাঃ

  • 3D ষ্টুডিও ম্যাক্সেImport কমান্ড দিন।
  • 3D ফাইলটি সিলেক্ট করুন।
  • ম্যাপ (Texture) ফাইলটি সিলেক্ট করুন।
    পেইন্ট করা নতুন মডেলটি পাওয়া যাবে।

ফটোশপে পেইন্টিং:

একসময় Disney Studio-তে ছবি আঁকা হত কাগজে, তারপর স্ক্যান করে এনিমেশনের কাজে ব্যবহার করা হত। মাঝখানে প্রথাগত Drawing এবং ডিজিটাল Drawing দুই চালু ছিল, বর্তমানে শুধুমাত্র ডিজিটাল Drawing. এ থেকে ধরে নিতে পারেন ডিজিটাল Drawing এবং পেইন্টিং কতটা অগ্রগতি লাভ করেছে। অনেক শিল্পী সাধারন ক্যানভাসের বদলে ডিজিটাল ক্যানভাস ব্যবহার করছেন। পেইন্টিং বিষয়টি বেশ জটিল। শিল্পী নানা মাপের নানা ধরনের তুলি ব্যবহার করেন, একাধিক রং এর মিশ্রনে নতুন রং তৈরি করেন, হাতের কারুকাজে তুলি থেকে নানারকম বৈচিত্র বের করে আনেন। এর বিকল্প হিসেবে যখন সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয় তখন সেখানেও এই সুযোগগুলি থাকা প্রয়োজন হয়। ফটোশপে এর সবই আছে।

আপনি কিভাবে পেইন্টিং এর কাজ করতে পারেন জেনে নিন>>>

একটা কথা আগেই জানিয়ে রাখা ভাল, পেইন্টিং এর সময় মাউসের বদলে গ্রাফিক ট্যাবলেট ব্যবহার করলে কাজ করা সহজ হবে এবং এমন কিছু সুবিধে পাবেন যা মাউসে পাওয়া যায় না। এ বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে এখানে।

ব্যাকগ্রাউন্ড এবং Forground কালার, পছন্দের রং সিলেক্ট করাঃ

ফটোশপে যে কোনসময় ব্যবহারের জন্য দুটি রং নির্ধারিত করে রাখতে পারেন। ফটোশপের Default এই দুটি রং কারো এবং সাদা। Toolbox-এ এই দুটি রং দেখাতে পাবেন। ওপরেরটির নাম Forground, নিচেরটি ব্যাকগ্রাউন্ড কালার। আপনি Brush ব্যবহার করে ক্যানভাসে দাগ দিলে সেটা হবে Forground কালারে। আর Eraser Tool ব্যবহার করে কিছু মুছে দিলে সেই অংশ পুরন হবে ব্যাকগ্রাউন্ড কালার দিয়ে (যদি ট্রান্সপারেন্সি না থাকে)। যদি অন্য রং থাকে তাহলে এদের বামদিকে ছোট্ট সাদাকালো আইকনে ক্লিক করে Default সাদা-কারো রং পাওয়া যাবে। দুইদিকে এরো চিহ্নিত আইকনে ক্লিক করলে Forground এবং ব্যাকগ্রাউন্ড কালার পাল্টাপাল্টি হবে।

এছাড়াও আপনি যে কোন সময় পছন্দের রং সিলেক্ট করতে পারেন কালার প্যালেট, সোয়াচ থেকে।

  • কালার প্যালেট ওপেন করুন। আপনার ডকুমেন্টের ধরন অনুযায়ী RGB/CMYK মান দেখা যাবে।
  • কালার প্যালেটে একটি রং এর Bar রয়েছে। এখানে মাউস পয়েন্টার আনলে Eye Drawper টুল হিসেবে দেখা যাবে। পছন্দের রং ক্লিক করুন।
  • রংর RGB (অথবা CMYK) এর মান দেখা যাবে ওপরের অংশে। এখানে স্লাইডার ব্যবহার করে মান পরিবর্তন করতে পারেন, অথবা নির্দিষ্ট Row-এর মান জানা থাকলে সেটা টাইপ করে নিখুত রং পেতে পারেন।
  • সোয়াচ প্যানেল থেকে পছন্দের রং ব্যবহারের জন্য সোয়াচ (swatches) ট্যাবে ক্লিক করুন এবং পছন্দের রং ক্লিক করুন।

কোন রং সিলেক্ট করার পর সেটা Forground কালার হিসেবে পাওয়া যাবে এবং পরিবর্তন না করা পর্যন্ত সেখানেই থাকবে।

ছবি থেকে রং সিলেক্ট করাঃ

অনেকসময়ই ক্যানভাসে যে রংগুলি রয়েছে সেখান থেকে কোন রং পেইন্টিং কাজে ব্যবহার করা প্রয়োজন হতে পারে। এমনকি ফটোগ্রাফ থেকেও।

  • Toolbox-এ Eye Drawper টুল সিলেক্ট করুন।
  • নির্দিষ্ট যায়গার রং এর ওপর ক্লিক করুন।
    Eye Drawper টুল সিলেক্ট না করেও Brush টুল সিলেক্ট করা অবস্থায় Alt কি চেপে সাময়িকভাবে Eye Drawper টুল ব্যবহার করা যায়।

Brush সিলেক্ট করাঃ

আপনি পেইন্ট করবেন Brush টুল ব্যবহার করে। সঠিক পেইন্টের জন্য ব্রামের মাপ, ধরন ইত্যাদি বিভিন্ন হতে পারে।

  • Toolbox-এ Brushটুল সিলেক্ট করুন
  • Properties বারে Brush-এর আইকনে ক্লিক করুন। এখানে এয়ার Brush, পেইন্ট Brush এবং ট্রান্সপারেন্ট স্প্রে তিন ধরনের ব্রাশ অপশন রয়েছে। এয়ার Brush-এর ধারগুলি সফট পাওয়া যাবে, পেইন্ট Brush-এর সাধারন রং পুরোটাই ব্যবহার কবে এবং স্প্রে ব্যবহার করলে স্প্রেয়ারের মত ইফেক্ট পাওয়া যাবে। আপনার কাজের ধরন অনুযায়ী যে কোনটি সিলেক্ট করুন।
  • পরবর্তী আইকনে ক্লিক করে Brush-এর সেপ (Brush-টিপ) কেমন হবে, কতটা মোটা হবে, ধারগুলি কতটা হাল্কা হবে এই বিষয় ঠিক করে নিতে পারেন। প্রথমে নিচের অংশ থেকে Brush-এর ধরন সিলেক্ট করুন, এরপর প্রয়োজন হলে তার সাইজ এবং হার্ডনেস পরিবর্তন করে নিন।
    বিভিন্ন ধরনের সেপের Brush পৃথকভাবে Install করে ব্যবহার করা যায়। ফটোশপের সাথেও অনেকগুলি Brush পৃথক ফাইল হিসেবে দেয়া হয়।
  • পেইন্টিং এর জন্য মোড সিলেক্ট করবেন এর পরের অংশ থেকে। নরমাল মোডে এক রং এর ওপর আরেক রং পেইন্ট করলে আগের রংটি পেছনে ঢাকা পড়বে। অন্যান্য মোডে বিভিন্ন ধরনের প্রতিক্রিয়া হবে।
  • Opacity অংশ থেকে পেইন্ট করা অংশ কতটুকু স্বচ্ছ আ অস্বচ্ছ হবে সেটা ঠিক করে দিন। Opacity ১০০ অর্থ পেছনের কিছুকে পুরোপুরি ঢেকে দেবে। কমতে থাকলে এর ভেতর দিয়ে পেছনের অংশ দেখা যাবে।
  • Brush প্যানেল বাটনে ক্লিক করে নিজের পছন্দমত Brush তৈরি করে নিতে পারেন।

এগুলি ছাড়াও প্রেসার সেনসিটিভ ট্যাবলেটের জন্য কিছু সেটিং রয়েছে।

পেইন্ট করাঃ

আপনার পছন্দের Brush, পছন্দের রং সিলেক্ট করে ক্যানভাসের ওপর ড্রাগ করুন। মাউস বা গ্রাফিক পেনের গতিপথ অনুযায়ী পেইন্ট হবে। ভাল ছবি আঁকা অবশ্যই অন্য যোগ্যতা।

Eraser টুলঃ

Eraser টুল ব্যবহার করা হয় কিছু মুছে দেয়ার জন্য। ট্রান্সপারেন্ট লেয়ারের ক্ষেত্রে এই টুল সিলেক্ট করে যেখানে ক্লিক-ড্রাগ করবেন সেই অংশে যা আছে সেটা মুছে যাবে।

Eraser টুলের জন্যও Brush-এর মত নানাধরনের সেপ ব্যবহার করা যাবে।

কিছু লক্ষনীয় বিষয়ঃ

  • ফটোশপে একবার মাত্র আনডু ব্যবহার করা যায়। কিছু পেইন্ট করার পর বাদ দিতে হলে History ব্যবহার করুন।
  • ফটোশপ বিটম্যাপ আর্ট ব্যবহার করে। একবার পেইন্ট করার পর তাকে পরিবর্তন করতে পারেন না। সেটা বাতিল করতে পারেন কিংবা মুছে দিতে পারেন।

ব্রাশের নানারকম ব্যবহারঃ

নিজে ছবি যদি নাও আকেন, শিল্পীরা যখন ছবি আকেন তখন হয়তো লক্ষ করেছেন তারা নানারকম পদ্ধতি ব্যবহার করে। যেমন জলরং ব্যবহার করে আঁকার সময় কাগজ ভিজিয়ে নেন। তার ফলেই সুন্দর ছবি আঁকা সম্ভব হয়। ফটোশপে আপনি জল রং এর ছবি আকতে গেলে আপনার এমন কিছু প্রয়োজন যেখানে সেই পদ্ধতিতে কাজ হবে। এছাড়া ছবি আঁকার বিভিন্ন ধরনের রং, বিভিন্ন আঁকারের, বিভিন্ন বৈশিষ্টের ব্রাশ ব্যবহার এসবও থাকা চাই।

ফটোশপে এসব সুবিধে রয়েছে। সাধারন Brush এবং রং-কে কিভাবে বিশেষভাবে ব্যবহার করা যায় জেনে নিন এই টিউটোরিয়ালে।

শুরুতে ফটোশপের সাথে দেয়া ব্রাশ (ব্রাশ প্রিসেট) ব্যবহার করে দেখে নিইঃ

  • ফটোশপ ওপেন করুন এবং সুবিধাজনক মাপের সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডের ক্যানভাস তৈরি করুন (File – New)
  • ব্রাশ প্যানেল যদি ওপেন না থাকে তাহলে মেনু থেকেWindow – Brush কমান্ড দিয়ে ওপেন করুন।
  • পছন্দমত একটি রং সিলেক্ট করুন (এখানে ঘাসের জন্য সবুজ এবং তারার জন্য নীল ব্যবহার করা হয়েছে)।
  • ব্রাশ টুল সিলেক্ট করুন।
  • Brush Preset ট্যাব সিলেক্ট করুন।
  • ঘাস আঁকার জন্য ১১২ অথবা ১৩৪ ব্রাশ সিলেক্ট করুন (Start-এর জন্য ২৯)।
  • ক্যানভাসে পেইন্ট করুন।

ঘাস আঁকার জন্য ব্রাশ সিলেক্ট করায় ব্রাশ ঘসে আপনি ঘাস তৈরি করতে পারবেন। লক্ষ করেছেন নিশ্চয়ই, প্রতিবার ঘাস তৈরির সময় একটি ঘাস থেকে আরেকটি ঘাসের আঁকার, রং, দিক ইত্যাদি পরিবর্তিত হচ্ছে, বাস্তবে যেমন প্রতিটি ঘাস ভিন্ন ভিন্ন হয়।

আপনি ব্রাশ তৈরির সময় এই বৈশিষ্টগুলি ঠিক করে দিতে পারেন। অর্থাৎ আপনি বলে দিতে পারেন ব্রাশ করার সময় আঁকার, রং, দুরত্ব ইত্যাদির কতখানি পরিবর্তন হবে।

কাজটি করে দেখা যাকঃ

  • পছন্দমত সাধারন একটি ব্রাশ সিলেক্ট করুন।
  • Brush ট্যাব সিলেক্ট করুন।
  • Shape Dynamics অংশে ক্লিক করে সিলেক্ট করুন।
  • ডানদিকেSize Jitter অংশে পরিবর্তন করুন। মান যত বেশি হবে আঁকার সময় আঁকার তত বেশি পরিবর্তন হবে।Minimum diameter অংশে বলে দিতে পারেন সবচেয়ে ছোট মাপ কি হবে।
  • Angle Jitter অংশে পরিবর্তন করুন। মান যত বেশি হবে আঁকার সময় কৌনিক পরিবর্তন তত বেশি হবে।
  • অন্যান্য অংশগুলি পরিবর্তন করে ফল দেখুন।

রং পরিবর্তন করাঃ

ব্রাশের বৈশিষ্টগুলি পরিবর্তন করে আকলে যে রং সিলেক্ট করা থাকবে সেই রং আঁকা হতে থাকবে। আপনি ইচ্ছে করলে সেখানেও বৈচিত্র আনতে পারেন।

  • Color Dynamics অংশে ক্লিক করুন।
  • Hue, Saturation ইত্যাদি পরিবর্তন করুন এবং ক্যানভাসে একে দেখুন। সিলেক্ট করা রং থেকেই ভিন্ন রং তৈরি হবে।

ব্রাশের বিভিন্ন পরিবর্তনের মুলনীতি এটাই। কোথায় কতটুকু পরিবর্তন করলে কি পরিবর্তন পাবেন এর প্রতিটি নিশ্চয়ই উল্লেখ করা প্রয়োজন নেই। নানাধরনের পরিবর্তন করে ক্যানভাসে আকতে থাকুন। রংর নতুন জগতের দেখা পাবেন।

ফটোশপে স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করে ব্যাচ ইমেজ প্রসেসিং:

আপনার হয়তো অনেকগুলি ইমেজকে PSD, JPG কিংবা টিফ Format-এর একটি থেকে আরেকটিতে নেয়া প্রয়োজন। কিংবা তিনটির সবগুলিতেই। এজন্য প্রথমে একশন তৈরি না করে সরাসরি ফটোশপের ইমেজ প্রসেসর ব্যবহার করতে পারেন।

  • মেনু থেকেFile – Scripts – Image Processor কমান্ড সিলেক্ট করুন।
  • Use Open Image অপশনে ক্লিক করুন এবংSelect Folderক্লিক করে ইমেজের ফোল্ডার সিলেক্ট করুন। ইচ্ছে করলে সাব-ফোল্ডার সহ ব্যবহার করতে পারেন।
  • Open First Image to Apply Setting সিলেক্ট করুন।
    এখানে প্রথম ইমেজের জন্য সেটিং ঠিক করে নিতে পারেন। এই সেটিং বাকি ইমেজগুলির জন্য ব্যবহৃত হবে।
  • Save in Same Location ক্লিক করুন অথবাSelect Folderক্লিক করে ইমেজ ফাইলগুলি কোথায় থাকবে সিলেক্ট করে দিন। মুল ইমেজের ফোল্ডার-সাবফোল্ডার যেভাবে ছিল ঠিক সেভাবে রাখতে পারেন।
  • অপশন অংশে আপনার পছন্দের বিষয়গুলি ঠিক করে দিন। এখানে ইমেজ Format, কোয়ালিটি, এস-আরজিবি প্রোফাইল, ফটোশপ Format-এর জন্য কম্পাটিবিলিটি, টিফ ফাইলের জন্য কম্প্রেশন ইত্যাদি সেট করতে পারেন।
  • সেটিং সেভ করার জন্যSave ক্লিক করুন। একটি নাম টাইপ করে Save ক্লিক করুন।
  • সেভ করা সেটিং লোড করার জন্যLoad ক্লিক করুন।
  • কাজগুলি করার জন্যRun ক্লিক করুন।

3D অবজেক্ট কন্ট্রোলঃ

ফটোশপে আনার পর অবজেক্ট কন্ট্রোল ব্যবহার করে 3D রোটেট, রোল, ড্রাগ, স্লাইড এবং স্কেল এই পরিবর্তনগুলি করা যাবে। এছাড়া 3D ক্যামেরা কন্ট্রোল ব্যবহার করে ভার্চুয়াল ক্যামেরা হিসেবে ভিউ পরিবর্তন করা যাবে।

হ্যান্ডলার ব্যবহার করে আপনি কাজগুলি করতে পারেন। তবে একেবারে নিখুত ফল পাওয়ার জন্য প্রোপার্টি বারে সংখ্যামান পরিবর্তন করা ভাল। যেমন রোটেট টুল ব্যবহারের জন্যঃ

  • উদাহরনের ছবির মত একটি 3D অবজেক্ট ওপেন করুন।
  • টুলবার থেকে3D Rotate Tool সিলেক্ট করুন।
  • ওপরের প্রোপার্টি বার থেকেX, Y, Z ইত্যাদির মান পরিবর্তণ করুন। অন্যান্য 3D সফটওয়্যারের মত ফটোশপেও এক্স, ওয়াই এবং জেড Access-এর জন্য লাল, সবুজ এবং নীল রং ব্যবহার করা হয়। এদের ওপর মাউস পয়েন্টার আনলে সেই Access-এর নাম দেখা যায়।
  • মাউস পয়েন্টারকে লাল, সবুজ বা নীল বারের শেষ প্রান্তে তীর চিহ্নিত স্থানে আনলে অংশটি হলুদ দেখা যাবে। এখানে ড্রাগ করলে সেই Access-এর অবস্থান পরিবর্তণ হবে।
  • আরেকটু ভেতরে বাকানো বড় অংশে আনলে হলুদ বৃত্তাকার চিহ্ন পাওয়া যাবে। এখানে ড্রাগ করলে অবজেক্ট সেই Access রোটেট করবে।
  • আরেকটু ভেতরে ছোট বক্সের ওপর আনলে অরবিট চিহ্ন দেখা যাবে এবং ড্রাগ করলে স্কেল পরিবর্তন হবে।
  • প্রোপার্টি বারের বামদিকেরHome বাটন ক্লিক করে আগের মানে ফিরতে পারেন।

বড়ছোট করা সহ অন্যান্য ট্রান্সফরমেশনের কাজগুলিও একইভাবে সংশ্লিষ্ট টুল ব্যবহার করে করা যাবে।

আশা করি আমার এই আর্টিকেলটি আপনার ভালো লাগবে। আজকের মতো এখানেই শেষ করছি। আসসালামু আলাইকুম!

 

লিখেছেন

মোঃ রিয়াদ আহম্মেদ

 

Facebook Comment